৩১ মে, ২০২৫

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস: ২১ শতকের বাংলাদেশের আমার আলোর দিশারী

ধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস: ২১ শতকের বাংলাদেশের আমার আলোর দিশারী

আচ্ছালামু আলাইকুম! ২১ শতকের বাংলাদেশ এই ব্লগে আপনাদের স্বাগত। আপনারা জানেন, নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে একটি ২১ শতকের নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখা হচ্ছে, আর আমার এই ব্লগটি সেই স্বপ্ন ও লক্ষ্যেরই প্রতিচ্ছবি।


অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর বাবার জিয়াফত মেজবানে (নাজু মিয়া হাটে) এবং আমার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৮ ব্যাচের অর্থনীতি বিভাগের সহপাঠী ও আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা তাঁর সাথে আমার বাড়িতে দেখা করতে এসেছিলেন। [এটি] নজুমিয়া হাট একটি কমিউনিটি চেন্টারে ফেব্রুয়ারি ২০০৮ সাল তোলা।


আমার জীবন পথ: উদ্যোক্তা থেকে নতুন দিগন্তে।

আমার জীবনের পথচলা ছিল এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা—একজন প্রতিষ্ঠাতা, একজন উদ্যোক্তা হয়েও একসময় আমি চাকরি seeker (চাকরিপ্রার্থী) হয়েছিলাম। এই ডিজিটাল-সচেতন অথচ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশে, এক ২০০ টাকার বালিশ যখন ৮০০০ টাকায় পৌঁছায়, আর ৬০০ টাকার চেয়ারের দাম যখন ৬,০০,০০০ টাকায় দাঁড়ায়, তখন বাস্তবতা কত কঠিন হতে পারে তা আমি দেখেছি। দুর্নীতির কারণে ১৯৯৭ সালে আমাকে আমার কারখানা (যা সরকারি ব্যাংক ঋণের অধীনে ছিল) ছেড়ে দিতে হয়েছিল। তবে ব্যাংক তা বিক্রি করে ২০০০ সালের মধ্যে ব্যাংকের ঋণ আদায় করে।  

আমাকে হালাল রুজির সন্ধানে ৭ সাগর তের নদী পার হতে হয়েছে জাপান, আমেরিকা, ব্রিটেন সহ ৫ বছর আরব আমিরাত ও আরও অনেক দেশে! কিন্তু ভাগ্য চক্রে ফিরে আবার দেশে... 

এই কঠিন সময়ে আমি নতুন পথের সন্ধান করি এবং সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ডিজিটাল মিডিয়া মার্কেটিং, এসইও কনটেন্ট মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট-স্ট্র্যাটেজিস্ট, ব্র্যান্ডিং, সেলস কনসালটেন্সি এবং স্টার্টআপ সমর্থন এর মতো ক্ষেত্রগুলোতে নিজেকে সমৃদ্ধ করি।



ড. ইউনূসের প্রভাব: কৈশোর থেকে আজ অবধি

আমি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একজন অনুরাগী এবং ছাত্র, যাঁর প্রভাব আমার কৈশোরকাল থেকেই। ১৯৪০ সালের ২৮শে জুন জন্ম নেওয়া এই বাংলাদেশী সমাজ-উদ্যোক্তা, ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ ও সুশীল সমাজের নেতা গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষুদ্রঋণ ও মাইক্রোফাইন্যান্সের ধারণা প্রবর্তনের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এই ঋণগুলো এমন উদ্যোক্তাদের দেওয়া হয়, যারা প্রচলিত ব্যাংক ঋণ পাওয়ার যোগ্য নন, কিন্তু তাঁদের উদ্যোগ ও পরিশ্রমে দারিদ্র্য দূর করার সম্ভাবনা থাকে।

২০০৬ সালে ড. ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন "নিচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রচেষ্টার জন্য।" নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি উল্লেখ করে, "যদি বৃহৎ জনগোষ্ঠী দারিদ্র্য থেকে মুক্তির উপায় না পায়, তাহলে স্থায়ী শান্তি অর্জন সম্ভব নয়।" ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক প্রমাণ করেছেন যে, "সংস্কৃতি ও সভ্যতা নির্বিশেষে, দরিদ্রতম মানুষরাও নিজেদের উন্নয়নে কাজ করতে পারে।" তিনি ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম এবং ২০১০ সালে কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল সহ বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেয়েছেন।

আমার ব্যক্তিগত যোগসূত্র

সম্পর্কে ড. ইউনূস আমার ফুফাত ভাইয়ের ছেলে – অর্থাৎ আমার ভাতিজা। আমরা একই গ্রামের এবং দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিখ্যাত নাজু মিয়া হাটের অধিবাসী। তাঁর বাবা হাজী দুল্লা মিয়া সওদাগর ছিলেন আমার প্রিয় ফুফাত ভাই, যাঁর সাথে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত আমার খুব ভালো সম্পর্ক ও যোগাযোগ ছিল। ছোটবেলা থেকেই ড. ইউনূসের আদর্শে আমি প্রভাবিত হয়েছি। তবে ব্যত্তিগতভাবে তাঁর সাতে আমার তেমন শক্যতা ছিল না! কালে ভদ্রে দেখা হত কোন সামাজিক বা ধর্মীয় আচার অনুশটানে- এই যা! 

আমার জীবনে কয়েকটি স্মরণীয় ঘটনা রয়েছে:

  • ১৯৬৮ সালে: তাঁর বাবা চট্টগ্রাম শহরের পঞ্চলাইশ আবাসিক এলাকায় "নিরিবিলি" বাসস্থান নির্মাণ করেন। ১৯৭২ সাল সেই উদ্বোধন ও গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠানে আমার বাবা আমন্ত্রিত ছিলেন, এবং আমি বাবার সাথে গিয়েছিলাম। ড. ইউনূস নিজে একটি ভক্স-ওয়াগন কার চালিয়ে এসেছিলেন। সেটাই ছিল আমার জীবনে গাড়িতে প্রথম ভ্রমণ।
  • প্রথম অভিজ্ঞতা: সেই পার্টিতে আমি প্রথমবারের মতো কোকা-কোলা পান করি এবং একটি নির্মাণ কাজের উপর "ওয়াকি-টকি" (walkie-talkie) ছবি দেখি।
  • শিল্পের স্বপ্ন: ড. ইউনূস স্বাধীনতা লাভের পর "পাকিস্তান প্যাকেজেস" (পরে "প্যাকেজেস কর্পোরেশন" নামে পরিচিত) নামে একটি প্রিন্টিং ও প্যাকেজিং শিল্প প্রতিষ্ঠা করেন। এই শিল্প আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল, যা আমার স্বপ্নপূরণ হয় ১৯৮৩ সালে – আমি নিজেই "দেশ প্যাকেজেস লিঃ" নামে একটি প্রিন্টিং ও প্যাকেজিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করি। পার্থক্য ছিল, প্যাকেজেস কর্পোরেশন শুধু কার্ডবোর্ড বক্স তৈরি করত, আর আমারটা কার্ডবোর্ড ও ঢেউতোলা উভয় কাগজের বাক্স তৈরি করত।

ড. ইউনূস শহরের কেন্দ্রে বসবাস করেন এবং মাঝে মাঝে বা বছরে একবার ঈদ উৎসবে গ্রামের লোক ও আত্মীয়দের সাথে দেখা করতে আসেন। তাই তাঁর বাবা ও অন্য ভাইদের মতো তাঁর সাথে আমার খুব বেশি ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা ছিল না। তবে, তিনি সবসময়ই আমার আইকন ছিলেন এবং আছেন... তাঁর পরিবার ও তাঁর প্রভাব আমার জীবনে অপরিসীম।


আমার উদ্যোক্তা যাত্রা: দেশ প্যাকেজেস লিঃ (১৯৮৩-১৯৯৭)

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর আমি চাকরির পেছনে ছুটিনি। বরং অল্প বয়স থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার দৃঢ় সংকল্প ছিল আমার। চাকরির সাথে যুক্ত ঘুষ ও অনৈতিক বিষয়গুলো আমাকে কখনোই আকৃষ্ট করেনি।

কিন্তু ১৫ বছর ধরে শিল্প পরিচালনা করার পর, আমি অসংখ্য সরকারি "চোর" এবং দুর্নীতির মুখোমুখি হই। আমার মন বিদ্রোহ করে ওঠে এবং ১৯৯৭ সালে আমি আমার সব অর্জন ছেড়ে দিই। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি কারখানার ম্যানেজার হিসেবে চাকরি নিই।

এই সময়টা ছিল এক ধরনের চুক্তিবদ্ধ "চাকরির" জগতে প্রবেশ, কিন্তু আমার মনে সবসময়ই উদ্যোক্তা মনোভাব, উদ্যম এবং কর্ম-নীতি ও সততার প্রতি অটল বিশ্বাস ছিল।


আমার স্বপ্ন: ২১ শতকের নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশ

বর্তমানে আমি ফ্রিল্যান্সিং এবং ভার্চুয়াল কাজের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন আয়ের সন্ধানে রয়েছি, আমার আরামদায়ক বাড়ি থেকে অথবা যেকোনো স্থান থেকে ওয়ার্ক-লাইফ-হোম ব্যালেন্স বজায় রেখে জীবিকা অর্জনের চেষ্টা করছি।

আমি একজন অভিজ্ঞ পেশাদার, যিনি বই এবং মাঠের বাস্তব জ্ঞান উভয়ই অর্জন করেছেন। ৩৬ বছরের সিইও, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, ম্যানেজার হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমি বি২বি (B2B) ১০০% রপ্তানিমুখী উৎপাদন শিল্পে নেতৃত্ব দিয়েছি এবং আমার দক্ষতা, কর্মক্ষমতা, কেপিআই (KPIs), আর‌ওআই (ROI) এবং এক্স-ফ্যাক্টর যোগ করে রাজস্ব বৃদ্ধিতে কাজ করেছি।

  • আমি ডিজিটাল জীবন যাপন করি। এটা আমার ডিএনএ-তে মিশে আছে। আমি ইন্টারেক্টিভ টেক, সোশ্যাল ডিজিটাল ট্রেন্ডের প্রতি আচ্ছন্ন একজন ট্রেন্ডসেটার। আমার কৌশলগুলো সর্বদা পরিকল্পিত এবং ডেটা-নির্ভর, যা সাফল্যের জন্য অপরিহার্য।
  • আমি ফলাফল-মুখী এবং কৌশলগত বিক্রয় ও বিপণনে আমার শক্তিশালী অভিজ্ঞতা আছে। আমি সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনাকে একত্রিত করি।
  • আমি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে ভালোবাসি—একজন উদ্যোক্তা গ্রোথ হ্যাকার।
  • আমি গ্রাহকদের লক্ষ্য অর্জনে মনোযোগী, একজন ডু-ফলোয়ার, গো-গেটার এবং চ্যালেঞ্জিং ও গতিশীল পরিস্থিতিতে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারি।
  • একজন সহানুভূতিশীল টিম প্লেয়ার হিসেবে, আমি প্রশিক্ষণ ও ইভেন্টের মাধ্যমে একটি মনস্তাত্ত্বিকভাবে অনুপ্রাণিত পরিবেশ তৈরি করি।


উপসংহার: একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে একসাথে

"সততাই সর্বোত্তম নীতি।" আমরা সবাই জীবিকা অর্জনের জন্য কাজ করি, সেটা মালিক/নিয়োগকর্তা বা কর্মচারী হিসেবেই হোক। "মুনাফা," "মজুরি" এবং "বেতন" উচ্চারণে ভিন্ন হলেও, উৎপন্ন আয় সকল অংশীদারদের মধ্যে বণ্টিত হয়।

আমাদের সকলেরই উদ্যোক্তা-মনস্ক, ইতিবাচক এবং উৎসাহী হতে হবে, যাতে টেকসই ব্যবসার বৃদ্ধি সম্ভব হয়। নিজেদের বস হওয়ার জন্য, আমাদের কর্মঠ হতে হবে এবং সদা শিক্ষানবিশ থাকতে হবে, যাতে আমরা পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি ও ব্যবসার জগতে সৃজনশীলতা ও উদ্দীপনা নিয়ে মানিয়ে চলতে পারি।

প্রত্যেক অংশীদারকে একে অপরের প্রতি সৎ এবং সহানুভূতিশীল হতে হবে, যাতে একটি উন্নত ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ গড়ে ওঠে যেখানে দক্ষতা, সততা এবং কাজের নীতিগুলো মূল্যায়ন ও বিচার করা হয়।

চলুন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের স্বপ্নকে স্মরণ করি এবং সবার জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করি। আসুন, লাভজনক উদ্যোগগুলি পরিচালনা করে এবং আরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে সৃষ্ট  এবং ১৬ বছরের দুঃশাসন পরিস্থিতি মোকাবিলা করি।

২১ মার্চ, ২০২৫

জুলাই ২৪ বিপ্লব: দুর্নীতিমুক্ত, কল্যাণ রাষ্ট্র, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক কেন্দ্র - নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশ!

 

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক কেন্দ্র: নতুন প্রজন্মের হাত ধরে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ

মুক্ত পেশাজীবী, মুক্ত দুনিয়ার আইটি উদ্যোক্তা। ডিজিটাল যাযাবর, নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশ। বাড়ি থেকে কাজ করে শেখা এবং উপার্জন করা। দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্র, বৈষম্যমুক্ত, বন্ধুত্বপূর্ণ কল্যাণ রাষ্ট্র, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক কেন্দ্র - নতুন শক্তির বাংলাদেশ।




"ঘরের বাইরে" এক নতুন বিশ্ব, যেখানে সীমানাগুলো ক্রমশ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আইটি বিশ্বায়ন আমাদের সামনে খুলে দিয়েছে অপার সম্ভাবনার দ্বার। এখানে নিজেকে প্রমাণ করার, নিজের স্থান করে নেওয়ার অসীম সুযোগ। কিন্তু এই সুযোগকে কাজে লাগাতে হলে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে পুরোনো ধ্যানধারণা থেকে, ভাঙতে হবে সব অচলায়তন।

তরুণ প্রজন্মের উত্থান:

আজকের তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেনারেশন-জি, এই পরিবর্তনের অগ্রদূত। তারা স্বপ্ন দেখে এক নতুন বাংলাদেশের, যেখানে দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্র, বৈষম্য থাকবে না। তারা চায় একটি বন্ধুত্বপূর্ণ কল্যাণ রাষ্ট্র, যা দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে।




জুলাই ২৪ বিপ্লব:

এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন এক নতুন বিপ্লবের, এক নতুন জাগরণের। "জুলাই ২৪ বিপ্লব" সেই বিপ্লবেরই নাম। এই বিপ্লব আমাদের শেখাবে কীভাবে বাড়ি থেকে কাজ করে উপার্জন করতে হয়, কীভাবে ডিজিটাল যাযাবর হয়ে মুক্ত পেশাজীবী হিসেবে জীবনযাপন করতে হয়।

নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন:

আমরা এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যেখানে:

  • দুর্নীতি হবে অতীত, স্বচ্ছতা হবে বর্তমান।
  • পরিবারতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে।
  • বৈষম্য দূর করে সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হবে।
  • বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশের মাধ্যমে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে উঠবে।
  • দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব মঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

আমাদের করণীয়:

এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্ব দিতে হবে, তাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে, আমাদের পাওনা আদায় করতে হবে।

উপসংহার:

সময় আর নষ্ট করার নয়। আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে, প্রমাণ করতে হবে নিজেদের যোগ্যতা। কারণ, দেরি হয়ে গেলে দুঃখ প্রকাশের ভাষাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আসুন, আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলি নতুন এক বাংলাদেশ, যা হবে দুর্নীতিমুক্ত, কল্যাণ রাষ্ট্র এবং দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক কেন্দ্র।

#জুলাই২৪বিপ্লব #দুর্নীতিমুক্তবাংলাদেশ #কল্যাণরাষ্ট্র #অর্থনৈতিককেন্দ্র #আইটিউদ্যোক্তা #ফ্রিল্যান্সিংবাংলাদেশ #ওয়ার্কফ্রমহোমবিডি #অনলাইনআয় #স্টার্টআপবাংলাদেশ #জেনজিবাংলাদেশ

১৮ জুল, ২০১১

Freelance Club

Visit GOLDEN Hans Shake- Freelance Club at:
https://www.facebook.com/groups/176685002346970
Sign UP and join share....Face book friends Group...

২৫ নভে, ২০০৮

Bangladeshi Asian exports products Brand

Bangladeshi com Brand Face Book Primary Index.
Our Good - Will Embassador
Abroad BRAND Link Bellow
for visit and download


DESHI ex-im BAZAR
 http://picasaweb.google.com/lekubd/DESHIExImBAZAR?authkey=gWg5h0EYyRg# 
Paste Link in Email
or IM and Please 
follow for updates