আমার Community, Fellow Entrepreneur এবং Aspiring Professional-গণ,
আমার ব্যক্তিগত Icons হলো Honesty, Integrity এবং Work Ethics। কিন্তু চারপাশে যখন দেখি অনৈতিকতা ও স্বজনপ্রীতি, তখন মনে হয় আমাদের কর্পোরেট থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতি পর্যন্ত সবকিছু এক ভয়ংকর নেশায় আক্রান্ত—তা হলো 'মদের নেশায় আক্রান্ত' হওয়া। এই নেশা আমাদের বিচার-বিবেচনাকে গ্রাস করে, বিবেককে অসাড় করে তোলে এবং দীর্ঘমেয়াদী পতনকে নিশ্চিত করে।
এই নেশার প্রভাবেই আমাদের সংস্কৃতিতে জন্ম নেয় সেই 'ভিজ্যুয়াল কারসাজি বা ভ্যানিটি ম্যাট্রিক্স', যা আমার Collaborator Md. Saidul Islam অসাধারণভাবে তুলে ধরেছেন:
"এক শ্রেনীর বস চাল কে মুড়ি বানিয়ে ম্যানেজমেন্টকে খাওয়ায়, আর শিষ্যরা সে মুড়ি ভাজতে দিন-রাত বিজি। ইহাকেই বলে ভিজ্যুয়াল কারসাজি বা ভ্যানিটি ম্যাট্রিক্স।"
এই 'মুড়ি ভাজার সিনড্রোম'ই হলো সেই আসক্তি, যা স্বজনপ্রীতি, অযোগ্যদের প্রমোশন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পতনকে ত্বরান্বিত করেছে। Honourable Chief Adviser অধ্যাপক ইউনূস এবং জুলাই বিপ্লব ২৪ (36 July Revolution 24) আমাদের সামনে এই 'মদের নেশায় আক্রান্ত' সংস্কৃতির অন্ধকার দিকটিকে স্পষ্ট করে একটি নতুন আলোর রেখা দেখিয়েছে।
১. পারিবারিক রাজনীতি: যখন রক্ত-সম্পর্ক মেধা ও গণতন্ত্রকে গ্রাস করে
পারিবারিক রাজনীতি বা 'ডাইনাস্টি' হলো এই নেশার প্রধান উপাদান। গবেষণা বলছে, যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের গণতান্ত্রিক 'স্কুল' হওয়ার কথা, সেখানে তারা পারিবারিক 'বিষয়'-এ পরিণত হয়েছে।
মেধার পথে বাঁধা: রাজনীতি বা কর্পোরেট—যেখানেই ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়, সেখানে নেতৃত্বের উত্তরাধিকার 'রক্ত-সম্পর্ক' দ্বারা নির্ধারিত হয়, মেধা বা যোগ্যতার দ্বারা নয়। এটি আপনার মতো Specialist, Performer, এবং Individual-দের জন্য Opportunity Space সংকুচিত করে।
নেপোটিজম ও চাকরি বাজার: এই সংস্কৃতি কর্পোরেট ও সরকারি নিয়োগে নেপোটিজম এবং অন্যায় বিচার (Undue Judgement)-কে স্বাভাবিক করে তোলে, যা সরাসরি আপনার Social Responsibility—তরুণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি-র লক্ষ্যকে আঘাত করে।
২. কর্পোরেট সংস্কৃতিতে 'মুড়ি ভাজার' আসক্তি ও Psychological Safety-র বিনাশ
পারিবারিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতিফলন কর্পোরেট জগতেও দেখা যায়। এখানে 'মুড়ি ভাজা' হলো সেই দৈনন্দিন কাজ, যা কর্মীদের Productivity-র বদলে আনুগত্য-এর নেশায় আসক্ত করে তোলে।
Toxic Environment: যখন একজন বস 'চালকে মুড়ি বানিয়ে' ম্যানেজমেন্টকে খাওয়ায়, তখন কর্মীরা বোঝে যে কঠোর পরিশ্রম এবং Integrity মূল্যহীন। এটি কর্মক্ষেত্রে ভয়, নিরাপত্তাহীনতা, এবং আস্থাহীনতা তৈরি করে। "Psychological safety is critical for employees to be productive... Toxic work cultures are a breeding ground for things that undermine psychological safety,"—এই উক্তিটি এই নেশাগ্রস্ত সংস্কৃতির ভয়াবহতা তুলে ধরে। (আমার আইকন: I hate toxic work environment)
ভ্যানিটি ম্যাট্রিক্স বনাম আসল কাজ: আমার ব্লগ পোস্টের থিম ছিল—'Stop Chasing Vanity Traffic'। ঠিক তেমনি, কর্মক্ষেত্রেও Revenue ও Employment সৃষ্টিকারী "blood to the organ" (Sales and Marketing)-এর বদলে শুধু বসকে দেখানোর জন্য 'ভিজ্যুয়াল কারসাজি' চলতে থাকে।
রেফারেন্স: এই ক্ষতিকর সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আমার অবস্থান জানতে পড়ুন: "How Toxic Workplace Cannge You Than You Think" এবং "Breaking Chains of Unprofessional"।
৩. প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নেতিবাচকতা এবং আমাদের জাতীয় সংস্কৃতিতে প্রভাব
কিছু বিশ্লেষকের মতে, দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং ভূ-রাজনৈতিক নির্ভরশীলতা আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এমন একটি কাঠামোকে পুষ্ট করেছে, যা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে।
আনুগত্যের রাজনীতি: এই নির্ভরতার ফলস্বরূপ, অভ্যন্তরীণ দলীয় রাজনীতিতে 'দেশপ্রেম' বা 'জাতীয় স্বার্থের' চেয়ে আনুগত্য এবং চাটুকারিতা (মুড়ি ভাজা) বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। এটি স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতাকে বাড়িয়ে তোলে, যা দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে ব্যাহত করেছে।
অর্থনৈতিক প্রভাব: পারিবারিক কর্তৃত্ব যখন অর্থনীতি এবং ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে, তখন সেটি শুধুমাত্র সেই পরিবারের স্বার্থ রক্ষা করে। এর ফলে বিদেশী বিনিয়োগ বা ন্যায্য বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও "Uneven Playing Field" তৈরি হয়, যা সাধারণ মানুষের Welfare এবং কর্মসংস্থান-কে নিশ্চিত করে না।
৪. মুক্তির পথ: নেশা থেকে বের হওয়ার Blueprint এবং নতুন যুগের সংকল্প
আমরা চাই এই Havoc থেকে মুক্তি এবং সত্যিকারের Friendly Environment ও Psychological Safety। অধ্যাপক ইউনূস এবং জুলাই বিপ্লব ২৪ আমাদের সামনে এক নতুন সূচনা দিয়েছে।
Blueprint-Provider হিসেবে আমাদের করণীয়: আমাদের উচিত পেশাগত নৈতিকতা (Professional Ethics), সততা (Integrity) এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন-এর একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করা। আমার মতো Guide, Authority, এবং Specialist-এর ভূমিকা হলো: Digital Marketing, Content Writing, এবং SEO-এর মতো নৈতিক দক্ষতা দিয়ে তরুণদের প্রস্তুত করা, যেন তারা কোনো কর্পোরেট বা রাজনৈতিক Vanity Matrix-এর ওপর নির্ভরশীল না হয়।
শার্ক বনাম বনসাই: আমাদের লক্ষ্য হতে হবে Shark-এর মতো স্বাধীনভাবে বড় হওয়া এবং সুযোগ সৃষ্টি করা, Bonsai-এর মতো কারও কৃত্রিম নির্ভরতায় বেঁচে থাকা নয়। (আমার আইকন: Growth Hacker, Shark not Bonsai)
আমরা সংকল্পবদ্ধ এই 'মদের নেশায় আক্রান্ত' ভ্যানিটি ম্যাট্রিক্সের বিরুদ্ধে। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা একটি নতুন, নৈতিক এবং কর্মসংস্থানমুখী বাংলাদেশ গড়তে সাহায্য করবে।
🛑 Immediately place the first AdSense unit here.
📚 আরও পড়ুন (Resources to Read and Learning Sections)
আমরা এতক্ষণ একটি লাভজনক অনলাইন ব্যবসা গড়ার বিষয়ে কথা বলেছি। আপনার মতে, এই 'মদের নেশায় আক্রান্ত' সংস্কৃতি মোকাবিলায় আপনার জীবনে সবচেয়ে বড় যে মানসিক পরিবর্তন (Mindset Shift) এনেছেন, তা নিচে Share করুন। আপনার প্রজ্ঞা অন্য কারও জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে!

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন